Health

১৬ টি ডায়াবেটিস এর লক্ষণ। প্রতিরোধ করার উপায় কি জানুন

প্রিয় পাঠক,আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে, ডায়াবেটিস কি, কেন হয়, ডায়াবেটিস এর লক্ষণ,এটি মাপার নিয়ম, এছাড়াও গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস কত হলে ইনসুলিন নিতে হয়, কোন ডায়াবেটিস মেশিন ভাল  এ  সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। যাদের এখনও ডায়াবেটিস হয়নি কিংবা ইতোমধ্যে হয়ে গেছে, তাদের এ বিষয়গুলো জানা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

ডায়াবেটিস কি

ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকীয় ব্যাধি। এই ক্ষেত্রে, শরীর যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি এবং ব্যবহার করতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে ইনসুলিন সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায়।

যেকোনো খাবার খাওয়ার পর আমাদের শরীর সেই খাবারের শর্করা ভেঙে চিনিতে (গ্লুকোজে) পরিণত হয়। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন নামক একটি হরমোন শরীরের কোষকে চিনি গ্রহণ করতে নির্দেশ দেয়। এই চিনি শরীরের জন্য শক্তি হিসেবে কাজ করে।

ডায়াবেটিস হয় যখন শরীর ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না বা এটি সঠিকভাবে কাজ করে না। ফলে রক্তে চিনি জমতে শুরু করে।

ডায়াবেটিস একটি জীবনব্যাপী শারীরিক অশোচনীয় অবস্থা, যার কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী এক মিলিয়নেরও বেশি মানুষ মৃত্যুর মতো ঝুঁকিতে পড়ে

ডায়াবেটিস প্রধানত দুই  ধরনের –  

  • ১।  টাইপ ১ (ধরন ১)এবং 
  • ২। টাইপ ২ ( ধরন ২)। 

দুইটা টাইপ আলাদা হলে ও দুইটাই খুবই ভয়ানক । এছাড়া আরো কিছু টাইপ আছে , সেগুলো খুবই কম।

টাইপ ১ ডায়াবেটিস কি

টাইপ 1 ডায়াবেটিস: শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না কারণ ইমিউন সিস্টেম অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষকে আক্রমণ করে। টাইপ ১ ডায়াবেটিসের বিকাশের কারণ কী তা স্পষ্ট নয়। তবে জেনেটিক এবং পরিবেশগত কারণ গুলো এর উৎস হতে পারে।

টাইপ ২ ডায়াবেটিস কি

টাইপ 2 ডায়াবেটিস: আমাদের শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট কার্যকর ভাবে ইনসুলিন ব্যবহার করতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, কিছু টিস্যু ইনসুলিন প্রতিরোধী হয়ে ওঠে এবং আরও ইনসুলিনের প্রয়োজন হয়। টাইপ 2 ডায়াবেটিস জেনেটিক্স, অতিরিক্ত ওজন এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা সহ বিভিন্ন কারণের হতে পারে।

ডায়াবেটিস কেন হয়

  • জেনেটিক কারনে ইনসুলিন তৈরী কম হওয়া।
  • জেনেটিক কারনে ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া।
  • অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন রোগের কারনে।
  • শরীরে অন্যান্য হরমোনের আধিক্য।
  • ঔষধ ও রাসায়নিক দ্রব্যের সংস্পর্শ।
  • কোনো সংক্রামক ব্যাধি দীর্ঘদিন থাকলে।
  • অন্যান্য কোন প্রতিরোধ ক্ষমতার জটিলতা।

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস: গর্ভাবস্থায় হরমোনের পরিবর্তন হতে পারে যা ইনসুলিন প্রতিরোধের দিকে পরিচালিত করে। জেনেটিক্স এবং জীবনধারার কারনেও গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হয়ে থাকে।

ডায়াবেটিস এর লক্ষণ সমূহ

ডায়াবেটিস এর লক্ষণ ও প্রতিরোধ করার উপায়
ডায়াবেটিস এর লক্ষণ ও প্রতিরোধ করার উপায়

উপরের আলোচনার মাধ্যমে আপনি নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন, ডায়াবেটিকস কি? কত প্রকার? ডায়াবেটিস কেন হয়?  কিন্তু ডায়াবেটিসের লক্ষণ গুলো কি কি? সেটা অবশ্যই জানতে হবে।

ডায়াবেটিসের লক্ষণ

 চলুন এবার জেনে নিই ১৬টি ডায়াবেটিসের লক্ষণ সম্পর্কেঃ

  1. অত্যধিক তৃষ্ণা  – বারবার পানি পিপাসা পাওয়া এবং গলার ভিতরে শুষ্কতা অনুভব করা
  2. ক্ষুধা – ক্ষুধার পরিমাণ বেড়ে যাওয়া
  3. বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবারের প্রতি আকর্ষণ
  4. ক্লান্তি – শারীরিক অবসাদগ্রস্থতা এবং  ক্লান্ত বোধ
  5. দৃষ্টি ঝাপসা 
  6. কিছুদিন পর পর প্রস্রাবের ইনফেকশন হয়
  7. পায়ে অসাড়তা বা শিহরণ
  8. বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়া
  9. ঘাড়ের চারপাশে বা শরীরের অন্যান্য ভাঁজে ত্বক কালো  হতে থাকা
  10. ত্বকের সংক্রমণ এবং চুলকানি
  11. হঠাৎ করে অপ্রত্যাশিতভাবে ভাবে ওজন হ্রাস পাওয়া
  12. ত্বকের শুষ্ক ভাব অনুভব হওয়া
  13. হাতে বা পায়ে অসাড়তা বা ঝিঁঝিঁ 
  14. শরীরে কাটা এবং ক্ষত শুকাতে দেরি হয়
  15. খোলা জায়গায় প্রস্রাব করলে সেখানে পিঁপড়া আসবে। 
  16. অনেক রোগীর ডায়াবেটিসের কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে। 

অন্যান্য উপসর্গ:

  • মহিলাদের মধ্যে: ত্বক শুষ্ক এবং চুলকানি, এবং ঘন ঘন যো’নিগত ইস্ট (ছত্রাক) সংক্রমণ বা মূত্রনালীর সংক্রমণ।
  • পুরুষদের মধ্যে: সে’ক্স ড্রাইভ হ্রাস, ইরেক্টাইল ডিসফাংশন, পেশী শক্তি হ্রাস।

উপরে উল্লিখিত উপসর্গগুলো দেখা গেলে অবশ্যই আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করবেন এবং ডায়াবেটিস পরীক্ষা করাবেন। বমি বমি ভাব, বমি বা পেটে ব্যথা এবং খামির সংক্রমণ বা মূত্রনালীর সংক্রমণ।

টাইপ ১ ডায়াবেটিসের লক্ষণ

লক্ষণগুলি কয়েক সপ্তাহ বা মাসের মধ্যে দ্রুত বিকাশ লাভ করতে পারে। লক্ষণগুলি শুরু হয় অল্পবয়স থেকে। সবচেয়ে বেশি যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় তা হচ্ছে বমি বমি ভাব, বমি বা পেটে ব্যথা এবং ইস্ট  সংক্রমণ বা মূত্রনালীর সংক্রমণ।

টাইপ ২ ডায়াবেটিসের লক্ষণ প্রিডায়াবেটিসের লক্ষণ

টাইপ টু ডায়াবেটিস খুব ধীরে ধীরে শরীরের বিকাশ লাভ করে। তাই শুরুতেই আপনার কোন লক্ষণ বা উপসর্গ নাও থাকতে পারে। আপনি যখন একজন প্রাপ্তবয়স্ক হন তখন লক্ষণগুলো আস্তে আস্তে বিকাশলাভ করতে শুরু করে। উপরের যে ডায়াবেটিসের লক্ষণ গুলো উল্লেখ করা হয়েছে, আস্তে আস্তে লক্ষণগুলো শরীরে প্রকাশ পেতে থাকে। কিন্তু বর্তমানের সব বয়সীদের মধ্যে টাইপ টু ডায়াবেটিস বৃদ্ধি লাভ করছে। 

ডায়াবেটিসের স্বাভাবিক মাত্রা

  • ছয় বছরের নীচে বাচ্চাদের রক্তে শর্করার মাত্রা – ৮০ – ১৮০ মিলিগ্রাম/ডিএল।
  • ছয় থেকে ১২ বছরের বাচ্চাদের রক্তে শর্করার মাত্রা – ৮০ – ১৮০ মিলিগ্রাম/ডিএল।
  • ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সিদের রক্তে শর্করার মাত্রা – ৭০ – ১৫০ মিলিগ্রাম/ডিএল।
  • ২০ বছরের উপরে রক্তে শর্করার মাত্রা  – ১০০ মিলিগ্রাম/ডিএল।

ডায়াবেটিস কমে যাওয়ার লক্ষণ

শরীর কাঁপা, বুক ধড়ফড় করা, ঘাম হওয়া, অস্থির মেজাজ, ঝাপসা দৃষ্টি, মাথাব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ শুরু হয়। যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্লুকোজ গ্রহণ করা না হয়, তবে মস্তিষ্কে চিনি ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে এবং রোগী ঝাপসা, অসংলগ্ন, অর্ধচেতন বা অচেতন হয়ে পড়ে। 

কখনও কখনও খিঁচুনি শুরু হয়। একজন ডায়াবেটিক রোগীর জন্য, বিশেষ করে যারা ইনসুলিন বা ইনসুলিন উৎপাদনকারী ওষুধ খাচ্ছেন, তাদের এই লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যাইহোক, আপনার উপসর্গ সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে পারে।

এই লক্ষণগুলি ছাড়াও, বাড়িতে ডায়াবেটিস পরিমাপ করার সময় রক্তে শর্করা 4 পয়েন্ট (mmol/l) এর কম হলে অবিলম্বে চিকিত্সা শুরু করা উচিত।

বাচ্চাদের ডায়াবেটিস কত হলে নরমাল
  • বাচ্চাদের রক্তে শর্করার মাত্রা – ৮০ – ১৮০ মিলিগ্রাম/ডিএল হলে নরমাল।

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস কত হলে ইনসুলিন নিতে হয়

গর্ভাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যে কোনো ওষুধ সেবন করা যুক্তিপূর্ণ। তাই আপনার যদি গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস থাকে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে কথা বলে ইনসুলিন নিতে হবে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হন।

ডায়াবেটিস মাপার সঠিক সময়

ডায়াবেটিস  মাপার সঠিক সময়ে অনেকেরই জানা নেই। সাধারণত আপনার ডায়বেটিস যদি  নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে ১৫ দিন অথবা মাসে একবার পরিমাপ করলেই যথেষ্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে,  যাদের সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে না, সঠিক ফলাফল পেতে দিনে অন্তত ছয় বার ডায়াবেটিস পরিমাপ করা উচিত। 

  1. সকালে খালি পেটে (অর্থাৎ ছয় থেকে আট ঘণ্টা খালি পেটে থাকার পর)
  2. সকালের নাস্তা দু’ঘণ্টা পর আরেকবার
  3. দুপুরের খাবার আগে
  4. দুপুরের খাবারের দু’ঘণ্টাপর
  5. রাতের খাবারের আগে এবং 
  6. রাতের খাবারের দু’ঘণ্টা পর আরেকবার

এভাবে দিনে মোট ছয়বার পরীক্ষা করতে হবে। এর ফলে ঔষধ এবং ইনসুলিনের মাত্রা সঠিকভাবে নির্বাচন করতে সাহায্য করে।

হঠাৎ ডায়াবেটিস বেড়ে গেলে করনীয়

অনিয়ন্ত্রিত শর্করার লক্ষণ যেমন ঘন ঘন পিপাসা, বা ঘন ঘন প্রস্রাব ইত্যাদি বোধ করলে রক্তে শর্করা পরিমাপ করুন ও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। শৃঙ্খলা ও নিয়মকানুন মেনে চললে এ ধরনের সমস্যা কম হবে।

ডায়াবেটিস হলে কি কি খাওয়া যাবে না

ডায়াবেটিস চিরতরে নির্মূল করা সম্ভব নয়। তাই একে নিয়ন্ত্রণে রাখাই সুস্থ জীবনযাপনের পূর্বশর্ত।  ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখার অন্যতম প্রধান উপায় হচ্ছে খাদ্য তালিকা প্রতি গুরুত্ব প্রদান করা। অর্থাৎ কি কি খাবার গ্রহণ করা যাবে এবং কি কি খাবার খাওয়া যাবে না। চলুন জেনে নেয়া যাক, ডায়াবেটিস রোগীর নিষিদ্ধ খাবার কি কি।

ডায়াবেটিস রোগীর নিষিদ্ধ খাবার:

  • চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয়
  • ফাস্টফুড জাতীয় খাবার
  • ভাজাপোড়া ও তৈলাক্ত খাবার খাবার
  • শুকনো ফল (dry fruits) জাতীয় খাবার
  •  চর্বি যুক্ত মাংস 

ডায়াবেটিস মাপার নিয়ম

রক্তে শর্করা কিভাবে পরীক্ষা করবেন
রক্তে শর্করা কিভাবে পরীক্ষা করবেন

আপনার রক্তে শর্করা কিভাবে পরীক্ষা করবেন:

রক্তে শর্করার পরীক্ষার জন্য গ্লুকোমিটার ব্যবহার করা প্রয়োজন। মিটার রক্তের একটি ছোট নমুনায় চিনির পরিমাণ পরিমাপ করে

পড়তে পারেনঃ ডায়াবেটিসের মাত্রা, রেঞ্জ কত? রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নির্ণয়

আপনার ব্লাড সুগার মিটারের সাথে আসা নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন। সাধারণভাবে, প্রক্রিয়াটি কীভাবে কাজ করে তা এখানে:

  • আপনার হাত ভাল করে ধুয়ে শুকিয়ে নিন।
  • আপনার মিটারে একটি পরীক্ষা স্ট্রিপ ঢোকান।
  • আপনার পরীক্ষার কিটের সাথে দেওয়া সুই (ল্যান্সেট) দিয়ে আপনার আঙ্গুলের ডগায় ঢুকান।
  • আঙ্গুলে ছিদ্র থাকে রক্তের ফোঁটা নিযয় টেস্ট স্ট্রিপের প্রান্ত স্পর্শ করুন এবং ধরে রাখুন।
  • কিছু গ্লুকোমিটার  বাহু বা তালু থেকে নেয়া রক্ত থেকে পরীক্ষা করতে পারে। 
  • কিন্তু এই রিডিংগুলি আঙুলের ডগা থেকে নেয়ার মতো সঠিক নাও হতে পারে, বিশেষ করে খাবারের পরে বা ব্যায়ামের সময়, যখন রক্তে শর্করার মাত্রা ঘন ঘন পরিবর্তিত হয়।

কোন ডায়াবেটিস মেশিন ভালো

কোন ডায়াবেটিস মাপার মেশিন ভালো? ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রক্তের গ্লুকোজ পরীক্ষা অপরিহার্য। মাত্র এক ফোঁটা রক্তের মাধ্যমে এই অপরিহার্য  পরীক্ষাটি কর যায়। তার জন্য প্রয়োজন গ্লুকোমিটার নামক যন্ত্রের। আক্রান্ত রোগী সহজেই বাড়িতে এটি করতে পারেন, যদি একটি গ্লুকোমিটার থাকে। ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং জটিলতা প্রতিরোধে এই ডিভাইস টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বাজারে আপনি অনেক কোম্পানির ডায়াবেটিস মাপার মেশিন পাবেন। তার মধ্যে ভাল মানের ডায়াবেটিস মাপার মেশিন নাম হচ্ছে –

  • ১/ ভিভাচেক ইনো ব্লাড গ্লুকোজ মনিটরিং (VivaChek Ino Blood Glucose Monitoring)
  • ২/ সিনোকেয়ার সেফ একিউ স্মার্ট ব্লাড গ্লুকোজ মনিটর ( Sinocare Safe AQ Diabetes Test Machine)
  • ৩/ গ্লুকোলিডার ইনহ্যান্স ব্লু ব্লাড সুগার টেস্টার মেশিন (GlucoLeader Enhance Blue Blood Sugar Tester Machine)
  • ৪/ Accu চেক অ্যাক্টিভ ব্লাড সুগার টেস্টার মেশিন (Accu Chek Active Blood Sugar Tester Machine)
  • ৫/ কুইক চেক ব্লাড গ্লুকোজ মনিটর (Quick Check Blood Glucose Monitor)                                   

সবশেষে,

প্রিয় পাঠক, আশা করি আমাদের এই ফিচার পোষ্টের মাধ্যমে ডায়াবেটিস কমে যাওয়ার লক্ষণ, হঠাৎ বেড়ে গেলে করনীয়, ডায়াবেটিস মাপার নিয়ম কোন মেশিন ভালো,গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস কত হলে ইনসুলিন নিতে হয় এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে জানতে পেরেছেন। পোস্ট সম্পর্কে আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে, মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন।

Related Articles

2 Comments

  1. আমার বাবার ডায়াবেটিস আছে। আমার ও কি হতে পারে?

    1. জ্বি হ্যাঁ! বংশগত বা জিনগত কারণে, আপনারও ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, এখন থেকেই ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করার জন্য প্র্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে, আশা করি আপনার ডায়াবেটিস হবে না। ইনশাআল্লাহ।

      ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধের উপায় কি?

      ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের নিকট গিয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা পরিক্ষা করুন। এবং যদি আপনার এখনও ডায়াবেটিসের লক্ষণ দেখা না যায়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। আর যদি ইতিমধ্যেই আপনার ডায়াবেটিস রোগ চিহ্নিত হয়ে থাকে, তাহলে যথাসম্ভব চিকিৎসকের দিকনির্দেশনা অনুসারে ব্যবস্থা নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *