Health

আমি মোটা হবো কিভাবে? স্থায়ীভাবে মোটা হওয়ার উপায় জানুন

আমি মোটা হবো কিভাবে? ইচ্ছাকৃতভাবে মোটা হওয়ার চেষ্টা করা সাধারণত স্বাস্থ্যকর নয়, বিশেষ করে যদি এটি  ঔষধ আকারে হয়। অতিরিক্ত ওজন বা স্থুলতা আপনার হৃদরোগ, টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সারের মতো গুরুতর স্বাস্থ্যের অবস্থার বিকাশের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

পৃথিবী জুড়ে যেখানে রোগা হওয়ার ধুম, সেখানে মোটা হওয়ার উপায় জানাতে চাচ্ছি? খুব অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই? আপনি অবাক হলেও, অনেকেই কিন্তু হবেন না৷ শারীরিকভাবে রোগা পাতলা ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রায়ই শোনা যায় কীভাবে যে মোটা হওয়া যায়, এত খাই কিন্তু মোটা হতে পারি না।

আপনি যদি অতিরিক্ত চিকন বা পাতলা হয়ে থাকেন এবং ৭ দিনে মোটা হওয়ার সহজ উপায়, খাবার রুটিন,  সাপ্লিমেন্ট, ঔষধ অথবা মোটা হওয়ার ভিটামিন ক্যাপসুল  সম্পর্কে জানতে আগ্রহী তবে পোষ্ট টি আপনার জন্য।

আমি কিভাবে মোটা হবো?

সাধারণত যারা রোগা পাতলা, বয়সের তুলনায় ওজন কম তাদের প্রশ্ন থাকে আমিমোটা হব কিভাবে? আর এই প্রশ্নটি করাটাই স্বাভাবিক। প্রতিটি মানুষই চায় সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে। বর্তমান সময়ে প্রায় প্রতিটি মানুষই স্বাস্থ্যসচেতন। 

মোটা হওয়ার কারণ জানার পূর্বে জানতে হবে আপনার ওজন কম হওয়ার কারণ কি? আপনার বয়স অনুযায়ী ওজন কম থাকার অনেক কারণ থাকতে পারে।  যেমন – 

  • অনিয়মিত খাদ্যগ্রহণ 
  • জেনেটিক কারণ 
  • মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা 
  • ডায়রিয়া 
  • ক্যান্সার 
  • ডায়াবেটিস 
  • হাইপারথাইরয়েডিজম 
  • কিডনির সমস্যা 
  • ফুসফুসের সমস্যা 
  • এইডস
  • যক্ষ্মা 
  • ড্রাগ নেওয়ার ইত্যাদি।

এছাড়া বংশগত কারণ থাকতে পারে প্রথমে কারণগুলো জেনে নিন তারপরে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। 

সহজে মোটা হওয়ার উপায়

তাহলে চলুন এবার আমরা জেনে নেই মোটা হওয়ার ১০ টি উপায়

  1. রাতে ঘুমানোর পূর্বে অল্প পানিতে কিসমিস ও বাদাম ভিজিয়ে রাখুন সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন।  সকালে খালি পেটে কিসমিস বাদাম খেলে মোটা হতে সাহায্য করে। 
  1. প্রচুর শাকসবজি ও ফলমূল খান। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন এগুলো  স্লিম হতে সাহায্য করে কিন্তু এমন অনেক ধরনের শাকসবজি রয়েছে যেগুলোতে উচ্চ-ক্যালোরি-যুক্ত যেমন- কাঁঠাল, লিচু, কলা, কাঁচা কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু  ইত্যাদি ফল ও শাকসবজি মোটা হতে সাহায্য করে।
  1. খাবার কম খাওয়ার কারণে আপনি যদি রোগা হয়ে থাকেন। তাহলে অবশ্যই খাবার পরিমাণ বাড়াতে হবে। একবারে অতিরিক্ত বাড়ানো যাবে না, আপনি যে পরিমাণ খাবার খান প্রতিদিন তার চার ভাগের এক ভাগ পরিমাণ বাড়িয়ে খান।
  1. বারবার একটু একটু করে না খেয়ে একবারে পেট পুরে খান। একসাথে বেশি খাবার খেলে মেটাবলিজমের হার কমে যায়, যার ফলে খাবারের ক্যালরির অনেকটাই বাড়তি ওজন শরীরে জমা হয়।
  1. ভাতের মাড় বা ফ্যান ফেলে না দিয়ে সেটি খেতে পারেন। ফ্যান মোটা হতে সাহায্য করে।
  2. দুধ এবং মধু ওজন বাড়াতে খুবই কার্যকরী। প্রতিদিন ঘুমোতে যাবার পূর্বে এক গ্লাস ঘন দুধে মধু মিশিয়ে খেয়ে নেবেন।
  1. হাইড্রেটেড থাকতে ভুলবেন না। প্রচুর পানি এবং অন্যান্য তরল পান করুন।
  1. আপনার খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর চর্বি, যেমন জলপাই তেল, আভাকাডো এবং বাদাম অন্তর্ভুক্ত করুন।
  1. খাদ্য তালিকায় যোগ করুন কিছু উচ্চ ক্যালোরি সম্পন্ন খাবার৷ যদি আপনার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা না থাকে তবে এই খাবারগুলো খেতে পারেন৷ যেমন -মাখন, ডিম, পনির, কোমলপানীয়, গরুর মাংস, খাসির মাংস, আলুভাজা৷  আর খেতে পারেন মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, কেক, ইত্যাদি৷
  1. মোটা হতে আপনাকেও যেতে হবে জিমে৷ একজন অভিজ্ঞ ট্রেইনার এর নির্দেশের ব্যায়াম করুন৷  ব্যায়াম করলে শরীর সুগঠিত থাকবে এবং ক্ষুধা লাগবে এতে আপনার খাওয়ার পরিমাণ বাড়বে, স্বাস্থ্যও  ভালো থাকবে৷

৭ দিনে মোটা হওয়ার সহজ উপায়

How to Gain Weight in 1 Week Naturally. ৭ দিনে মোটা হওয়ার সহজ উপায় এবং খাবার রুটিন

আমরা কখনোই বলবো না যে ৭  দিনে আপনি মোটা হয়ে যেতে পারবেন, তবে স্বাস্থ্যকর উপায়ে তা করা গুরুত্বপূর্ণ। একটি স্বাস্থ্যকর ওজন বাড়ানোর ডায়েটে প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবারের পরিবর্তে পুষ্টিকর খাবার যেমন আস্ত শস্যদানা, ফল, শাকসবজি এবং চর্বিহীন প্রোটিন গুলিতে ফোকাস করা উচিত।

খুব বেশি স্বাস্থ্য যেমন সমস্যা ঠিক তেমনি স্বাস্থ্য একেবারে না থাকাটাও চিন্তার বিষয়।  আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম মোটা হওয়ার জন্য সহজ টিপস যা নিয়মিত অনুসরন করলে আপনি সহজেই মোটা হতে পারবেন। চলুন জেনে নেই স্বাস্থ্যকর ভাবে দ্রুত ওজন বাড়ানোর উপায় গুলা কি কি –

বয়স অনুযায়ী শরীরের প্রতিদিন ক্যালরি চাহিদা

  • বাচ্চা বয়সী শিশুদের ক্যালরি ইনটেক দৈনিক = ১০০০ ক্যালরি প্রয়োজন।
  • ১৬-১৮ বয়স = ৩২০০ ক্যালরি 
  • ১৯-২৫ বয়স = ২০০০-২২০০ ক্যালরি
  • প্রাপ্তবয়স্ক নারীর প্রতিদিন = ১৬০০-২৪০০ ক্যালরি 
  • প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ =  ২০০০-৩০০০ ক্যালরি।

 প্রয়োজনের চেয়ে ১০০০ক্যালোরি খাবার বেশি খেলে শরীরে সঞ্চিত থাকবে। 

ওজন বাড়ানোর সাথে একটা কেলকুলেসান জড়িত । প্রতিদিন আপনি কি পরিমান ক্যালরি নিচ্ছেন আর কি পরিমান ক্যালরি বার্ন করছেন এটার উপর নির্ভর করে ওজন বাড়ে বা কমে থাকে । 

এখন আপনাকে একটি খাবারের রুটিন দিবো যেটা মেনে চললে খুব দ্রুত ওজন বাড়াতে পারবেন । আপনি দৈনন্দিন যা খান তার পাশাপাশি এই খাবারটা খাবেন দেখবেন ১ মাসের মধ্যে রেজাল্ট পাবেন । 

মোটা হওয়ার জন্য খাবার রুটিন

আমি মোটা হবো কিভাবে স্থায়ীভাবে মোটা হওয়ার উপায়
আমি মোটা হবো কিভাবে? স্থায়ীভাবে মোটা হওয়ার উপায়
  • প্রতিদিন সকাল বেলায় নাস্তার প্রায় ১ ঘণ্টা পরেঃ ১ গ্লাস দুধ, ২ টি ডিম, ২ টি খেজুরের টুকরা নিয়মিত খাবেন।
  • বিকালে  ১ গ্লাস দুধ ২ টা কলা এলাচ পাউডার ১/২ চামচ,দেশি ঘি ১ চামচ ভালো ভাবে ব্লেণ্ডিং করে জুস বানিয়ে খাবেন। 
  • রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই রকম ১ গ্লাস পণ করবেন এই ২ গ্লাসে কমপক্ষে ১০০০ ক্যালরি শক্তি পাবেন । দৈনন্দিন এই চার্ট ফলো করলে ১ সপ্তাহের মধ্য রেজাল্ট পাবেন ইনশাল্লাহ।   

খেজুর খেলে কি মোটা হওয়া যায়?

খেজুর খেলে কি মোটা হওয়া যায়? এর উত্তর হচ্ছে: হ্যাঁ, খেজুর খেলে মোটা হতে পারবেন। চিকিৎসাবিদ্যা অনুযায়ী খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে শক্তি, শর্করা, চিনি, খাদ্যআঁশ, স্নেহপদার্থ, প্রোটিন। এছাড়াও রয়েছে ভিটামিন এ, থায়ামিন, রিবোফ্লাবিন, প্যান্টোথেনিক এসিড, ভিটামিন বি৬,ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ভিটামিন কে।  ভিন্ন রকমের খনিজ যেমন-  ক্যালসিয়াম, লৌহ, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, এবং পানি।

তাছাড়া ওজন বাড়াতে খেজুরের জুড়ি নেই। একটি খেজুর থেকে আমরা ২৩ কিলোক্যালোরি শক্তি পেয়ে থাকি এবং ১০০ গ্রাম খেজুর থেকে আমরা ২৮২ কিলোক্যালোরি পেয়ে থাকি। এ থেকে আমরা বুঝতে পারি, অল্প খাবার খেয়ে আমরা যথেষ্ট ক্যালোরি পেতে পারি। ওজন বাড়াতে  খেজুর খুবই উপকারি একটি খাবার।

আপনি যদি মোটা হওয়ার জন্য খেজুর খেতে চান তাহলে সকালে খালি পেটে বা এক্সারসাইজের পর খাবেন।

ইসলামে মোটা হওয়ার উপায়

ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে মোটা হওয়ার উপায় হলো “পাকা খেজুর এর সাথে শসা বা খিরা খাওয়া”।

এ সম্পর্কে দুটি হাদিসে এরকম ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে,

(১) আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেন, আমার মায়ের ইচ্ছা ছিল আমাকে স্বাস্থ্যবতী বানিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট প্রেরণ করবেন। এ জন্য তিনি অনেক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, কিন্তু কোনো ফল হয়নি। শেষমেষ তিনি পাকা খেজুর এর সাথে  শসা বা খিরা খাওয়াতে থাকলে আমি উত্তমরূপে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে উঠি।

(সহীহ্, সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৩৯০৩)।

(২) আয়েশা (রাঃ) এভাবে বর্ণনা করেছেন, আমার মা আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সংসারে পাঠাতে চাচ্ছিলেন, কিন্তু আমার শারীরিক পুষ্টির দরকার ছিল এজন্য তিনি আমাকে চিকিৎসা করাতেন। কিন্তু তাতে কোন লাভ হল না অবশেষে আমি খেজুর এর সাথে শসা মিশিয়ে খেতে শুরু করলাম এবং উত্তমরূপে সুস্বাস্থ্যের লাভ করলাম।

(আবু দাউদ,হাদিস নং ৩৩২৪)।

স্বাস্থ্য কমাতে ডাক্তার শসা খাওয়ার উপদেশ দিলেও খেজুর আর শসা একসঙ্গে খাওয়া সুন্নত।  

মোটা হওয়ার ঔষধের নাম

আপনার স্বাস্থ্য চিকন বা রোগা পাতলা হলে এতটা হতাশ হয়ে যাবেন না যে বাজার থেকে যে কোন ঔষধ কিনে খেয়ে নিবেন। সুষম খাবার গ্রহণের মাধ্যমে এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে সবসময় স্বাস্থ্যের উন্নতি করার চেষ্টা করবেন। কেন আপনার স্বাস্থ্য বাড়ছে না তার কারণ বের করে তার পরই হরি সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করবেন। আপনার ডাক্তারের যদি মনে হয় আপনার মোটা হওয়ার ঔষধ খাওয়া দরকার,তবেই তা গ্রহণ করবেন।

এখানে কিছু মোটা হওয়ার ঔষধের নাম উল্লেখ করলাম।  আশাকরি ওষুধ সম্পর্কে আপনার একটা ধারণা হবে।

  • সিনকার
  • গুড হেলথ
  • বডি বিল্ডার
  • আলফামালট (হোমিও)
  • পিউটন সিরাপ
  • রুচিবট নামে ট্যাবলেট
  • রুচি প্লাস সিরাপ।

মোটা হওয়ার সাপ্লিমেন্ট

সাধারণত সাপলিমেট বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। আবার আপনি কিছু উপকরণ দিয়ে বাড়িতেও বানিয়ে নিতে পারেন মোটা হওয়ার সাপলিমেন্ট ।

মোটা হওয়ার সাপলিমেন্টটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবেঃ

  • (১) হাফ কাপ ওটস্
  • (২) এক কাপ দুধ
  • (৩) একটি মাঝারি আকারের কলা
  • (৪) 1 cup Whey Protein
  • (৫) 200 ml পানি।

এই মিশ্রনটি আপনি সপ্তাহে ৪-৫ দিন রাতে কা সকালে অবশ্যই খাবেন। এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আপনি ৭ দিনের মধ্যে আপনি শরীরের পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন।

স্থায়ী ভাবে মোটা হওয়ার ঔষধ

প্রথমে বলবো স্থায়ীভাবে মোটা হওয়ার ঔষধ না খুঁজে, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং সুষম খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলুন; এমনিতেই স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। আপনার যদি মনে হয় ঔষধি দরকার তাহলে আপনার জন্য নিচে কয়েকটি ওষুধের নাম উল্লেখ করা হলো।

ডেকডান (Decdan): স্বাস্থ্য মোটা করার জন্যই সাধারণত এই ঔষধ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে দীর্ঘদিন যদি আপনি এটি সেবন করেন তবে বিভিন্ন  প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় ।যেমন- পেট খারাপ হওয়া, হাঁটুতে ব্যথা হওয়া, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া,  ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকাই ভালো।

সিপ্লাক্টিন (Ciplactin): এলার্জি রোগের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এটি সেবন করা কখনই উচিত নয়। এটি অতিরিক্ত সেবন করলে ব্লাড প্রেসার কমে যেতে পারে এবং নানাবিধ শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রাক্টিন (Practin): অনেকে স্থায়ীভাবে মোটা হওয়ার ঔষধ মনে করেন। কিন্তু ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এটি সেবন করলে আপনার হাত পা ঝিনঝিন করা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ডেক্সোনা (Dexona): এটি মূলত হাঁপানির, এলার্জি, ক্যান্সারের মতো রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অনেকে স্বাস্থ্য মোটা করার জন্য দোকান থেকে কিনে নিজের ইচ্ছামত সেবন করে থাকেন। ঔষধটি দীর্ঘদিন সেবন করলে লিভারের ফাংশন দুর্বল হয়ে যেতে পারে, কিডনি ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে তাই গ্রহণ করার পূর্বে অবশ্যই চিন্তা করবেন।

পড়তে পারেনঃ কিভাবে লম্বা হওয়া যায়? নারী পুরষ সকলের জন্য কার্যকরী সেরা ১০ টিপস

পরিশেষে,

স্বাস্থ্যকর  মোটা হওয়ার উপায় সম্পর্কে ব্যক্তিগত পরামর্শের জন্য একজন স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার বা নিবন্ধিত ডায়েটিশিয়ানের সাথে কথা বলাও গুরুত্বপূর্ণ। তারা আপনাকে এমন একটি পরিকল্পনা তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে যা আপনার ব্যক্তিগত প্রয়োজন এবং লক্ষ্যগুলির জন্য নিরাপদ এবং উপযুক্ত। 

আশাকরি, আর্টিকেলটি পড়ার পর আপনার মনে যে প্রশ্ন ছিল,আমি কিভাবে মোটা হবো? ৭ দিনে মোটা হওয়ার সহজ উপায়, খাবার রুটিন,  সাপ্লিমেন্ট, ভিটামিন ক্যাপসুল, সম্পর্কে সঠিক ধারণা হয়েছে। এখানকার পরামর্শ এর মধ্যে কোনটি আপনার উপকারে এসেছে আশাকরি কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন। ধন্যবাদ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *